মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

১৯৪৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারী তৎকালীন সামাজিক অস্থিরতা ও হানাহানি প্রতিহত করে সামাজিক শান্তি ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করনে সরকারকে সহায়তার জন্য আনসার বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে এই বাহিনীর ৬৭২ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সদস্য শাহাদাৎ বরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী মুজিবনগর সরকার প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন এই বাহিনীর ১২ জন আনসার সদস্য। মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য এই বাহিনীর ০৩ জন সদস্য বীর উত্তম/বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন। ১৯৯৮ সালে এই বাহিনীকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০০৪ সালে এই বাহিনী স্বাধীনতা পদক লাভ করে। সংবিধানের ১৫২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি একটি শৃংখলা বাহিনী। ১৯৯৫ সালে মহান জাতীয় সংসদে পাশকৃত ৩টি পৃথক আইন দ্বারা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী পরিচালিত হয়ে থাকে। দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকার ও জনগণকে আমরা নিম্নবর্ণিত সেবাসমূহ প্রদান করে থাকিঃ

ক. জনকল্যাণমূলক কোন কাজে সরকার বা সরকারের অধীন কোন কর্তৃপক্ষকে সহায়তা প্রদান করা।

খ. দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের  লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক নির্দেশিত যে কোন কল্যাণমূলক কাজে অংশ গ্রহন করা।

গ. দেশের যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার কর্তৃক নির্দেশিত কাজে অংশগ্রহন করা।

ঘ. সরকারের নির্দেশে জননিরাপত্তা ও আইনশৃংখলা রক্ষায় স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা ও সাহায্য প্রদান করা।

ঙ. ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ, সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সদস্য সদস্যাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া।

চ. ১০% কোটায় সরকারি চাকুরি প্রদানে সদস্য সদস্যাদের সুযোগ প্রদান করা।

ছ.  আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে এই বাহিনীর সদস্য-সদস্যার  মাঝে  লোন  প্রদান করে তাদের স্বাবলম্বী হতে সাহাজ্য করা।


Share with :

Facebook Twitter